উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সার্কুলার অনুযায়ী, পূর্ণাঙ্গ মানি চেঞ্জারদের প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড সংরক্ষণ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন মানি চেঞ্জার মনিটরিং সিস্টেমে তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গ্রাহককে স্বতন্ত্র লেনদেন শনাক্তকরণ নম্বর সংবলিত সিস্টেম-উৎপাদিত স্বীকৃতিপত্র দিতে হবে এবং প্রতি মাসের লেনদেন বিবরণী পরবর্তী মাসের প্রথম ১০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে। নতুন নীতিমালায় পূর্ণাঙ্গ মানি চেঞ্জারদের বৈদেশিক মুদ্রার দৈনিক সমাপনী নগদ স্থিতির সর্বোচ্চ সীমা ২৫ হাজার মার্কিন ডলার এবং নগদ বাংলাদেশী টাকার স্থিতি ৫০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ মানি চেঞ্জারের লাইসেন্সের মেয়াদ হবে এক বছর এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত দুই মাস আগে নবায়নের আবেদন করতে হবে। লাইসেন্স পেতে বার্ষিক বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের ন্যূনতম পরিমাণ ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫ লাখ মার্কিন ডলার এবং অন্যান্য এলাকায় ৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ হতে হবে। একক মালিকানা ও অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের ন্যূনতম নিট সম্পদ ১০ লাখ টাকা এবং যৌথ মূলধনী কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন কমপক্ষে ১ কোটি টাকা হতে হবে।
স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের লাইসেন্সের মেয়াদ হবে দুই বছর এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত তিন মাস আগে দুই লাখ টাকা ফি দিয়ে নবায়নের আবেদন করতে হবে। লাইসেন্স থাকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে আমদানির অনুমতি পাওয়া যাবে না এবং প্রতিটি চালানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পৃথক পূর্বানুমোদন নিতে হবে। পরিশোধনের উদ্দেশ্যে স্বর্ণ আকরিক ও ডোরে আমদানির অনুমতি পেতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক অনুমতি ফি ৩০ লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এডি ব্যাংকগুলো প্রযোজ্য ভ্রমণ সুবিধার বিপরীতে প্রতি ব্যক্তি ও প্রতি যাত্রায় সর্বোচ্চ ৫ হাজার মার্কিন ডলার বা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার নোট ও কয়েন সরবরাহ করতে পারবে। পূর্ণাঙ্গ মানি চেঞ্জারগুলো বাংলাদেশী নাগরিকদের বার্ষিক ব্যক্তিগত ভ্রমণ সুবিধার বিপরীতে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ৩ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রার নোট বিক্রি করতে পারবে। বিদেশী পর্যটকরা অব্যবহৃত বাংলাদেশী টাকা সর্বোচ্চ ৫০০ মার্কিন ডলার বা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রায় রূপান্তর করতে পারবেন।