উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের অগ্রগতির মুখে আবারও তাদের সঙ্গে সংঘাতে যুক্ত হতে সম্মত হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ইয়েমেনের কয়েকটি সূত্র দ্য গার্ডিয়ানকে জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সরকারপন্থী বাহিনীকে আবারও অর্থায়ন করবে আমিরাত। বিনিময়ে হুতিবিরোধী এসব বাহিনীকে আকাশপথে সুরক্ষা দেবে সৌদি আরব। ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই দুই দেশের গভীর মতবিরোধ থাকলেও নতুন এই সহযোগিতা সেই বিরোধ কমানোর প্রথম দৃশ্যমান লক্ষণ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা এ সপ্তাহে স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোটের দাবি জানিয়েছে। এমন গণভোট হলে ১৯৬৭ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত যে সীমান্তে ইয়েমেন দুটি আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে ছিল, তা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হতে পারে। বিচ্ছিন্নতাবাদী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল এখনো পুরোনো ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলের সীমানার বাইরে তাদের সেনাদের লড়তে দিতে রাজি হয়নি। তবে সৌদি আরব যদি স্পষ্টভাবে গণভোটে সম্মতি দেয়, তবে এই বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হতে পারে।
যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আমিরাতের কর্মকর্তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও হুতিরা তাইজ ও মারিব দখলে নিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। গত শুক্রবার হুতিদের ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র এডেন বিমানবন্দরে আঘাত হানে। ইয়েমেনের তথ্যমন্ত্রী মোয়াম্মার আল-এরিয়ানি জানান, ক্ষেপণাস্ত্র দুটি একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে পড়ে। এর আগের দিন এডেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হুতিদের হামলায় অন্তত ৫ জন নিহত ও ১৬ জন আহত হন।
মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি বলেছেন, সৌদি আরবকে রক্ষায় দেশটির সামরিক বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দিতে পার্লামেন্টে জরুরি অধিবেশন ডাকা হচ্ছে। সৌদি আরব সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের কাছ থেকেও সামরিক সহায়তা চেয়েছে এবং তা নিয়ে দেশটিতে আলোচনা চলছে। এছাড়া ওমান ও কাতারসহ অন্য উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সৌদি আরবের আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা উচিত কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।