উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরের জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের কোনো সরকারপ্রধানের চট্টগ্রামে এসে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনের ঘটনা এবারই প্রথম বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়েছে। চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন মন্দির, সংগঠন ও পূজা উদ্যাপন কমিটির মাধ্যমে এসব উপহার দেওয়া হয়। গত ৯ অক্টোবর জে এম সেন হলের মাঠে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পূজার উপহার বিতরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী ও দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগর ও জেলায় চার স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পুলিশ, এসআরবি, আনসার ও বিজিবির ২০ হাজারের বেশি সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। এসআরবি-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে এসএসএফের নির্দেশনা ও সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরে প্রায় ২ হাজার ৬০০টি পূজামণ্ডপ রয়েছে বলে তিনি জানান।
চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি বলেন, বন্দরনগরীর পূজামণ্ডপে প্রধানমন্ত্রী আসছেন, এ খবরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে আনন্দের সঞ্চার হয়েছে। চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়ার যে লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী নির্ধারণ করেছেন, তা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তার চট্টগ্রাম আগমন আনন্দের বিষয়। চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেন, চট্টগ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।