উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
গাজীপুরের মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামানের নাম ব্যবহার করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মালবাহী ভ্যান থেকে নিয়মিত মাসিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় পরিবহনসংশ্লিষ্ট কয়েকজনের দাবি, নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা না দিলে বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের সড়কে চলাচলে বাধা, গাড়ি আটক, হয়রানি এবং মামলার ভয় দেখানো হয়।
স্থানীয় পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, বাচ্চুর অধীনে থাকা প্রায় ৩৫টি সিএনজি থেকে মাসে ৩ হাজার টাকা এবং ৫০টি মালবাহী ভ্যান থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়। এছাড়া কাজল ও রসূলের অধীনে থাকা সিএনজিগুলো থেকেও টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে, যা বিভিন্ন রুট ও এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন অঙ্কে নির্ধারিত বলে জানানো হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাসেল নামের এক চালক দাবি করেন, তাঁর গাড়ি দীর্ঘ সময় আটকে রেখে ওসি কামরুজ্জামান থানায় মাসিক টাকা জমা দেওয়ার শর্ত দেন। পরে মাসিক টাকা দিতে রাজি হলে আনুমানিক রাত ১২টার দিকে তাঁর গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয় এবং এ-সংক্রান্ত একটি কল রেকর্ডিং গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে ওসি কামরুজ্জামানের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। এ ধরনের অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগের সত্যতা যাচাই, অর্থ লেনদেনের উৎস শনাক্ত এবং কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।