উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বাবার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার, রাজপথের আন্দোলন ও মেয়র হওয়ার লড়াই তাঁকে পরিচিতি দিয়েছিল। প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই প্রতিমন্ত্রী হওয়া ছিল তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বড় অর্জন। কিন্তু অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়ার ঘটনা তাঁকে তীব্র বিতর্কে ফেলে দেয়। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভা থেকে বিদায় নিতে হলো মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা ইশরাক হোসেনকে। বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার বয়স আট মাস হয়েছে এবং মন্ত্রিসভায় ইশরাক হোসেনের মেয়াদও ছিল ঠিক আট মাস। রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ইশরাকের উপস্থিতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর পরদিনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে ডেকে পদত্যাগ করতে বলেন এবং তিনি আজ সকালে ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে দুপুরে পদত্যাগ করেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল তাঁকে মেয়র ঘোষণা করে। পরে নির্বাচন কমিশনও এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করে, কিন্তু তাঁকে শপথ পড়ানো নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়। ইশরাক হোসেনের বয়স ৩৯ বছর এবং তাঁর বাবা মুক্তিযোদ্ধা মরহুম সাদেক হোসেন খোকা ছিলেন বিএনপির প্রভাবশালী নেতা। গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসন থেকে জয়ী হয়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন। লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমেদ এই বিষয়ে বলেন যে ইশরাকের কর্মকাণ্ড ছিল ক্ষমতার প্রদর্শন ও অপরিপক্বতার জ্বলন্ত উদাহরণ। তাঁর পরিণতিবোধের অভাবের কারণে সরকারের বদনাম হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা অন্যদের জন্য একটা কড়া বার্তা।