উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক রেস কোর্স মসজিদের পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে প্রায় ৭০০টি পরিবারের ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিবারগুলোর প্রায় সবাই মুসলিম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া দেখা গেছে। এর আগে মসজিদ ও সংলগ্ন এলাকায় জরুরি পরিষেবা বন্ধ করে উচ্ছেদের নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসস্থানের কাছে অবস্থিত ওই মসজিদের জমিকে সরকারি সম্পত্তি হিসেবে দাবি করেছে। সেখানে অননুমোদিত দখল বা বেআইনি নির্মাণকে অপরাধ ঘোষণা করে সতর্কতামূলক নোটিশ টাঙানো হয়েছে এবং সিপিডব্লিউডি-কে নির্দেশ কার্যকরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গত ৭ অক্টোবর থেকে মসজিদসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
তুঘলক রোড থানা পুলিশ কোনো ধরনের ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে যে স্থানীয় বাসিন্দাদের উচ্ছেদ নয়, বরং মুন্ডকা এলাকায় বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওয়াকফ বোর্ডের অধীনে নিবন্ধিত এবং গ্রেড-২ ঐতিহ্যবাহী স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে তালিকাভুক্ত এই মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ৮০০ মানুষ নামাজ আদায় করতে পারেন। ইমাম জানিয়েছেন যে মাত্র ছয় দিনের মধ্যে জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হলেও ওয়াকফ বোর্ডের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি।
বিদ্যুৎ ও পানিসংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সত্ত্বেও বহু কষ্টে নিরাপত্তাবেষ্টনী এড়িয়ে কয়েকজন মুসল্লি সেখানে গিয়ে নামাজ আদায় করেছেন এবং একে ধর্মীয় অধিকারের ওপর আঘাত বলেছেন। আসাম থেকে দিল্লি সর্বত্র দখলদার উচ্ছেদের নামে সংখ্যালঘু মুসলিমদের লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন।