উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের কালামনগর বংশীপাড়া স্মৃতিসৌধ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও অযত্নে পড়ে রয়েছে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ১০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিবিজড়িত এই স্মৃতিসৌধ সংরক্ষণের অভাবে সৌন্দর্য হারাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং একজন স্থায়ী তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের জোরালো দাবি উঠেছে।
মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম জানান, ১৯৭১ সালের ৬ নভেম্বর স্বাধীনতাযুদ্ধে তাঁদের ১০ জন সহযোদ্ধা শহীদ হন। প্রতিবছর ৬ নভেম্বর, ১৬ ডিসেম্বর ও ২৬ মার্চ এখানে অনুষ্ঠান হলেও বছরের অন্য সময়ে পরিচর্যার ঘাটতি থাকে। ব্যক্তিগত বা ইউপি চেয়ারম্যানের উদ্যোগে মাঝেমধ্যে পরিষ্কার করা হলেও সরকারি কোনো কেয়ারটেকার নিয়োগ করা হয়নি।
মাছপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ খান জানান, স্মৃতিসৌধের চারপাশে সীমানাপ্রাচীর ও তালা থাকলেও নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন। সরকারিভাবে কেয়ারটেকার নিয়োগ করা হলে স্মৃতিসৌধটি প্রাণ ফিরে পাবে এবং নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে পারবে।
স্থানীয়দের মতে, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এ ধরনের স্থাপনা জাতির গৌরব ও আত্মত্যাগের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। কালামনগর বংশীপাড়া স্মৃতিসৌধের যথাযথ সংরক্ষণ ও স্থায়ী তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের জন্য প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ জরুরি। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেবে যাতে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি যথাযথ মর্যাদায় সংরক্ষিত থাকে।