উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলের যুদ্ধ পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চোরাচালানের মাধ্যমে নিজেদের অস্ত্রভান্ডার সমৃদ্ধ করেছে এই গোষ্ঠী।
জেনসের কৌশলগত অস্ত্র বিশ্লেষক নিরঞ্জন বিএস জানান, হুতিদের হাতে মাঝারি ও স্বল্প পাল্লার বিভিন্ন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এর মধ্যে খাইবার শেখান ও আসেস ক্ষেপণাস্ত্র উল্লেখযোগ্য। এছাড়া তাদের হাতে দুই হাজার কিলোমিটার পাল্লার কুডস-৪ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান হুতিদের অস্ত্র কর্মসূচিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সহায়তা দিয়েছে। ছোট নৌকা বা ওমান-ইয়েমেন সীমান্ত দিয়ে যন্ত্রাংশ এনে ইয়েমেনে জোড়া লাগানো হয়। কনফ্লিক্ট আর্মামেন্ট রিসার্চের অনুসন্ধানে হুতিদের অস্ত্র সহায়তায় চীনা প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কের তথ্যও মিলেছে।
সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বিশ্বের অন্যতম আধুনিক হলেও হুতিদের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তা ভেদ করছে। হুতিরা একই সঙ্গে বিভিন্ন গতির ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য হুমকি সামলানো কঠিন হচ্ছে। এছাড়া প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্রের সীমিত মজুতও সৌদি আরবের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।