উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের জন্ম নেওয়া এক তরুণের ঢাকায় আসার গল্প শুরু হয় ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে। উচ্চমাধ্যমিক পাসের পর লেখাপড়া না করার ইচ্ছা থাকলেও মা–বাবার ইচ্ছায় ঢাকায় এসে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের আইন বিভাগে ভর্তি হন তিনি। গ্রিন রোডের ক্যাম্পাসে শুরু হওয়া সেই ঢাকা-জীবনে ফার্মগেট তাঁকে শিখিয়েছে পৃথিবীর যেকোনো শহরে টিকে থাকার কৌশল।
বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের প্রথম তিন সেমিস্টারেই তাঁকে ফার্মগেট এলাকার নয়বার হোস্টেল বদলাতে হয়েছিল। বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স, কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার ও হাতিরঝিল চিনতে শেখার সঙ্গে সঙ্গে ফার্মগেট পেরিয়ে বড় হতে থাকে ঢাকার মানচিত্র। ২০২২ সালের প্রথমার্ধে বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শেষ করে পুলিশ প্লাজার কাছে একটি চেম্বারে জুনিয়র হিসেবে যোগ দেন তিনি, যা ফার্মগেট থেকে হাতিরঝিল হয়ে সহজেই যাতায়াত করা যেত।
তেজগাঁওয়ের কুনিপাড়ায় বাসা নেওয়ার মাত্র ছয় দিন পর যে বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি পড়েছেন, সেখানেই আইন ও মানবাধিকার বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেওয়ার সুযোগ পান। বিয়ের পর গ্রিন রোড এলাকায় বাসা নিলেও সম্প্রতি তাঁরা ফার্মগেট ছেড়ে আগারগাঁও চলে এসেছেন। এখন তাঁর স্ত্রী বলেন যে গ্রিন রোডই ভালো ছিল এবং পুত্রও মাঝে মাঝে ভাঙা ভাঙা গলায় ফার্মগেটের কথা বলে। নানামুখী অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ফার্মগেট যেন তাঁর জীবনের একটি স্থায়ী ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।