উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মৃত্যুদণ্ডের খবরে গভীর শংকায় দিন কাটাচ্ছেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের এক প্রবাসীর পরিবার। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের নগর ছাওয়ালী চরপাড়া গ্রামের ফজল মিয়ার ছোট মেয়ে সুয়েটি আক্তার। দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদের পর ২০২৩ সালে স্থানীয় দালালের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি।
পরিবার জানায়, সৌদি আরবের মক্কায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করার সময় পৌঁছানোর প্রায় ছয় মাস পর গ্রেপ্তার হন সুয়েটি। গ্রেপ্তারের প্রায় এক বছর পর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তিনি নিজেই আটকের বিষয়টি পরিবারকে জানান। মারামারি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন বললেও প্রবাসে থাকা এক বান্ধবী পরিবারকে জানান এক বাংলাদেশি যুবকের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
গত ১৩ অক্টোবর সকালে পরিবারের সঙ্গে সর্বশেষ যোগাযোগ করে সুয়েটি আড়াই মাসের মধ্যে দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছিলেন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিরচ্ছেদের খবর ও ছবি ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও স্বজনদের উদ্বেগ চরম আকার ধারণ করে। জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন জানান, বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন অনুযায়ী মেয়েটির বাড়ি টাঙ্গাইল।
পরিবারের ও স্থানীয়দের দাবি, সুয়েটি আক্তার জীবিত থাকলে তাঁকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক। আর তাঁর মৃত্যুর খবর সত্য হয়ে থাকলে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হোক সরকারের পক্ষ থেকে। মেয়ের ছবি বুকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন মা এবং নির্বাক বাবা তাকিয়ে আছেন মেয়ের ফিরে আসার অপেক্ষায়।