উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পাশাপাশি ইরানে রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষায় ক্ষমতার লড়াই চলছে। এর এক পক্ষে আছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মতো উদারপন্থীরা। অন্য পক্ষে রয়েছে পায়দারি ফ্রন্টের আলোচনাবিরোধী কট্টরপন্থীরা।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন কট্টরপন্থীরা। পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি থেকে ইরানকে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর আহ্বান জানিয়েছে তারা। এই কট্টরপন্থী অংশটি ফ্রন্ট অব ইসলামিক রেভল্যুশনারি স্ট্যাবিলিটি নামেও পরিচিত।
পার্লামেন্ট ও সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের কাছে চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দলটি। পায়দারি ফ্রন্টের ঘনিষ্ঠ পার্লামেন্ট সদস্য আমির হোসেন সাবেতি বলেছেন, বন্দরগুলো থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে আলোচনা শুরু হবে না।
কট্টরপন্থীরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে অভিশংসনের প্রস্তাব পার্লামেন্টে জমা দিয়েছেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে তাঁর নিউইয়র্ক সফরের পর এ প্রস্তাব আনা হয়। বিদেশি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেওয়া অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে আইনও বিবেচনা করছে পার্লামেন্ট।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক নেগার মোর্তাজাভির মতে, কট্টরপন্থীরা সুসংগঠিত হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাঁদের হাতে নেই। যুদ্ধ, শান্তি ও আলোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ইরানের নেতৃত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর সর্বোচ্চ পর্যায়ে।