উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার চরতিল্লী বাজারে মেসার্স জমশের আলী ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। দুই কৃষকের দাবি, দোকানে সরকারি মূল্য তালিকা টাঙানো থাকলেও তাঁদের কাছ থেকে ডিএপি সার বেশি দামে বিক্রি করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত দোকানটির কর্মচারী মোঃ বাবুল হোসেন।
দোকানটি কার্ডধারী খুচরা সার বিক্রেতা হিসেবে পরিচিত এবং এর স্বত্বাধিকারী মোঃ কলিমুদ্দিন। দোকানে টাঙানো তালিকা অনুযায়ী, প্রতি ৫০ কেজির বস্তা ইউরিয়া সারের দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা, ডিএপি ১ হাজার ৫০ টাকা, টিএসপি ১ হাজার ৩৫০ টাকা এবং এমওপি ১ হাজার টাকা নির্ধারিত রয়েছে। এই হিসেবে প্রতি কেজি ডিএপি সারের দাম ২১ টাকা হওয়ার কথা থাকলেও কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি বস্তা সার ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উত্তর চরতিল্লী গ্রামের কৃষক মোঃ বাবুল হোসেন অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রতি বস্তা ডিএপি সার ২ হাজার ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। অপর কৃষক মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, তাঁর কাছ থেকে একবার ১ হাজার ৮০০ টাকা এবং আরেকবার ২ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মতে, সরকারি মূল্য তালিকার সঙ্গে বিক্রয়মূল্যের এই পার্থক্যের কারণে তাঁরা মারাত্মকভাবে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এদিকে কৃষকদের আনা এই অভিযোগ অস্বীকার করে দোকানটির কর্মচারী মোঃ বাবুল হোসেন বলেন, তিনি ওই দুই ব্যক্তির কাছে কোনো ডিএপি সার বিক্রি করেননি। তাঁর দাবি, কৃষকরা অন্য দোকান থেকে সার কিনে এখন তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলছেন। সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির এই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষকেরা।