উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুতের ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, এই লক্ষ্য অর্জন ও খাতের বিকাশ ত্বরান্বিত করতে বিশেষ আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অত্যধিক নির্ভরতার প্রভাব এড়াতে এবং ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সৌরবিদ্যুতের যাবতীয় প্রযুক্তি ও উপকরণের ওপর থেকে সব ধরনের শুল্ক তুলে নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। ভবনের ছাদে সৌর প্যানেল বসাতে সরকারি প্রণোদনা ও সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ কেনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে পাওয়ার গ্রিড পুরোপুরি আধুনিক না হওয়ায় বিভিন্ন উৎসের বিদ্যুৎ সমন্বয় করা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ৯৬ শতাংশ বিদ্যুৎ জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর যা নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। টেকসই উন্নয়নের জন্য ন্যায়সংগত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জ্বালানি রূপান্তর আবশ্যক বলে তিনি মন্তব্য করেন। বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক একরামুল হক পরিবেশ রক্ষা ও সাশ্রয়ী ক্লিন এনার্জি নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় ও নীতিপ্রণেতাদের যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
বুধবার সমাপনী দিনে জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে একাধিক উচ্চপর্যায়ের প্যারালাল সংলাপ ও প্লেনারি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এসব অধিবেশনে জ্বালানিনীতি, অর্থায়ন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক ও পরিবেশগত সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করা হবে। পুতুলনাচ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানটি শেষ হবে।