উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ভোটার প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। নির্বাচনে কোনো পক্ষ স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় ভোটারদের প্রত্যাখ্যানের পরও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে আপাতত নেতানিয়াহুই ক্ষমতায় থাকছেন। নির্বাচনী প্রচারে উপেক্ষিত থাকা আরব ইসরায়েলিদের অভাবনীয় সাফল্য এ নির্বাচনে দ্বিতীয় আরেকটি অদ্ভুত ও বিপরীতমুখী বিষয় হিসেবে সামনে এসেছে।
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের ১২০টি আসনের মধ্যে নেতানিয়াহুর জোট ৫২ আসন পাচ্ছে বলে বুথফেরত জরিপে দেখা গেছে। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসনের বাধা দূর করতে তিনি বিরোধী শিবিরের কোনো দলকে টানার চেষ্টা করবেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প চাচ্ছেন ইসরায়েলে দ্রুত একটি স্থিতিশীল সরকার গঠিত হোক এবং এ মুহূর্তে নেতানিয়াহুর প্রধান লক্ষ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের দল।
নাফতালি বেনেটের দল টুগেদার ১২ থেকে ১৩টি আসন পেলে নেতানিয়াহুর জোটের আসনসংখ্যা ৬২ বা ৬৩টিতে দাঁড়াতে পারে, যা সরকার গঠনের জন্য যথেষ্ট। তবে বেনেট ও ইয়ার লাপিদ নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতেই জোট গঠন করেছিলেন এবং বুথফেরত জরিপের পর বেনেট ঘোষণা দেন নেতানিয়াহু হেরে গেছেন ও তাঁর সরকারের বাড়ি ফেরার সময় হয়েছে। নেতানিয়াহুবিরোধী শিবিরের নেতারা আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট করবেন না বলে প্রচারণায় জানিয়েছেন এবং নাফতালি বেনেট এ বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অনমনীয় ছিলেন।
রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে নেতানিয়াহুর দলের কিছু প্রবীণ রাজনীতিক জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে তাঁকে ছেড়ে গাদি আইজেনকটের জোটে যোগ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। সরকার গঠনের দরকষাকষি যত দিনই চলুক না কেন, নতুন নির্বাচন ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত নেতানিয়াহুই প্রধানমন্ত্রী পদে বহাল থাকবেন। ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে নেতানিয়াহু ইরান বা প্রতিবেশী কোনো দেশের সঙ্গে নতুন যুদ্ধ বাঁধাতে পারেন কিংবা সংঘাত উসকে দিতে পারেন বলে ইসরায়েলের ভেতরে গত এক সপ্তাহে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।