উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দলীয় নেতা-কর্মীসহ মিছিল নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে ফুটপাতের উচ্ছেদ অভিযানে যান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১ এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটির উচ্ছেদ অভিযানে এই দৃশ্য দেখা যায়। মিছিল দেখে দ্রুত নিজেদের মালপত্র ও তল্পিতল্পা গুটিয়ে পালিয়ে যান সড়ক ও ফুটপাত দখল করে দোকান বসানো ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ী ও হকাররা।
গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ সকাল ১০টায় অভিযান শুরুর কথা জানিয়েছিল ডিএনসিসি। তবে নির্ধারিত সময়ের পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর-১ এলাকার সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিছিল নিয়ে পৌঁছানোর আগেই শাহ আলী মাজার হয়ে গাবতলীমুখী প্রধান সড়কের অনেক হকার ও ব্যবসায়ী মালপত্র সরিয়ে নেন।
প্রশাসককে সদলবল এগিয়ে আসতে দেখে কাঁচাবাজার অংশের বিক্রেতারাও দোকান সরানোর তোড়জোড় শুরু করেন। কেউ রিকশা বা ভ্যানে মালপত্র তোলেন, কেউ ঝুড়ি মাথায় নেন এবং অনেকেই অস্থায়ী দোকান খুলে ফেলেন। এর পরপরই সেখানে শুরু হয় ডিএনসিসির মূল উচ্ছেদ অভিযান, যার পেছনে ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলীসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও ভারী যন্ত্রপাতি।
শাহ আলী কলেজ মার্কেট, শাহ আলী ডিএনসিসি কাঁচাবাজার ও শাহ স্মৃতি মার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকার অবৈধ দোকানপাট ও ছাউনি ভেঙে দেওয়া হয়। ফুটপাত দখল করে রাখা বিভিন্ন পণ্য জব্দ করে ডাম্প ট্রাকে তোলেন সিটি করপোরেশনের কর্মীরা। ডিএনসিসির প্রশাসক সাংবাদিকদের জানান, মিরপুর-১০-এর মতো মিরপুর-১-এর ফুটপাতও দখলমুক্ত করে নগরবাসীর হাঁটাচলার উপযোগী করা হবে এবং এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ফ্যাসিবাদের আমল থেকেই অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন হকাররা। মিরপুর-১ এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে আজ বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে আরেকটি অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। উচ্ছেদের পর নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর ব্যবস্থার মাধ্যমে এই উদ্যোগ কতটা স্থায়ী হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।