উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক ও বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে অভূতপূর্ব সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। বিজিএমইএ-র উপদেষ্টা এবং ১৪ বারের এনআরবি-সিআইপি কাজী সারওয়ার হাবিব সম্প্রতি টোকিওতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই সম্ভাবনার কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বর্তমানে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
জাপান বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক আমদানিকারক দেশ হিসেবে প্রতি বছর প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি করে। কাজী সারওয়ার হাবিব জানান যে বাংলাদেশ বিশ্বমানের পোশাক তৈরি করলেও জাপানের বাজারে এখন পর্যন্ত মাত্র ১.৪ বিলিয়ন ডলার রফতানি করতে পেরেছে। তবে বিজিএমইএ-তে ‘জাপান ডেস্ক’ ওপেন হওয়া এবং জাপানি রাষ্ট্রদূতের পরিদর্শনের প্রেক্ষাপটে তারা আগামীতে ৩ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলারের পোশাক কেনার আশা দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই জাপান সফরকে একটি স্বপ্নের মতো সফর হিসেবে অভিহিত করে তিনি জানান যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সাথে জাপানি ব্যবসায়ীদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এই সফরে প্রায় ৬.৩ বিলিয়ন ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের যে সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ব্যবসাবান্ধব নীতি জাপান সরকারকে বিনিয়োগে আরো উৎসাহিত করছে।
জাপানি বিনিয়োগকারী ও বায়ারদের বাংলাদেশে ধরে রাখতে এবং তাদের যাতায়াত সহজ করতে ভিসা প্রক্রিয়া আরো সহজ করার তাগিদ দিয়েছেন এই ব্যবসায়ী নেতা। ইউনিক্লো ও মুজির পক্ষ থেকেও কর্মরত জাপানি ও বাংলাদেশী কর্মীদের অনুপাত এবং ভিসা দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর বিষয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। সরকারের উচিত প্রাইভেট সেক্টরের অভিজ্ঞদের সাথে নিয়ে এসব ছোটখাটো বাধা দূর করা।