উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, উন্মুক্ত স্থান ও গণপরিবহনসহ সব নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করে সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন ব্যবস্থার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট আয়োজিত ‘বাসযোগ্য নগরী নিশ্চিতে সবার জন্য মানসম্মত আবাসন’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বক্তারা এই তাগিদ দেন।
সভায় বক্তারা বলেন, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের বাসস্থান নিশ্চিতে সরকারি উদ্যোগ ও বেসরকারি খাতের অংশীদারত্ব প্রয়োজন। আবাসন খাত সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি খাতের ওপর ছেড়ে না দিয়ে সরকারি জমি ও অর্থায়নের সমন্বয়ে নীতিমালা করতে হবে। এছাড়া বড় বেসরকারি আবাসন প্রকল্পে অন্তত ২০ শতাংশ সাশ্রয়ী আবাসনের ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করার নীতি বিবেচনার কথাও বলা হয়।
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও সবুজ ধ্বংসের ফলে নগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে উন্নয়ন হলেও অনেক ক্ষেত্রে জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি জিয়া উদ্যান, চন্দ্রিমা উদ্যান ও ওসমানী উদ্যানের মতো জায়গাগুলোতে কংক্রিট না বাড়িয়ে সবুজায়ন ও নষ্ট হওয়া জলাধার পুনরুদ্ধারের ওপর জোর দেন।
ভূমিজ-এর প্রতিষ্ঠাতা ফারহানা রশীদ তনু জানান, ২০১৬-২০১৭ সাল থেকে পাবলিক টয়লেট ও স্যানিটেশন নিয়ে আন্দোলন শুরু হলেও এখনো সমন্বিত পরিকল্পনার ঘাটতি রয়ে গেছে। শুধু টয়লেট নির্মাণ করলেই হবে না, বরং এর অবকাঠামো, ব্যবহারকারী, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়গুলোকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
সংস্থার পরিচালক গাউস পিয়ারী শিশু, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিরাপদ চলাচল এবং মাঠ-পার্ক ব্যবহারের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান। এছাড়া পথচারীদের অধিকারসংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও বিধিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন এবং নাগরিকদের বাস্তব চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।