উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনায় জুনিয়র বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপের দেওয়া তথ্যে একাধিক অসংগতি পেয়েছে পিবিআই। গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর বাসা থেকে বের হয়ে তাহসিফ কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন, তা প্রযুক্তির সহায়তায় জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। এছাড়া তার ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপের কললিস্ট ফরেনসিক পরীক্ষা করা হচ্ছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গত ২৭ অক্টোবর দীপের সঙ্গে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তাহসিফের ১০ থেকে ১২ বার কথা হয়। দীপের দাবি, ঘটনাস্থলে পুলিশের মতো দুজনকে দেখে তারা দৌড় দেন। তবে নিহতের বাবা এ কে এম এনায়েতুল করিম এই দাবি মানতে নারাজ, কারণ তার ছেলে সাঁতার জানতেন এবং এ সংক্রান্ত সনদও ছিল।
পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. এনায়েত হোসেন মান্নান জানান, তাহসিফের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মাদক, নারীসংক্রান্ত বিষয় এবং এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড নাকি দুর্ঘটনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দীপের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তুরাগ নদ-সংলগ্ন মাজার বস্তি এলাকা থেকে নম্বর প্লেটবিহীন একটি সুজুকি জিক্সার ১৫০ মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, তাহসিফের মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্তের সময় পাকস্থলী, কিডনি, ভিসেরা, রক্ত ও ডিএনএর নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। শনিবার এই প্রতিবেদন আসার কথা রয়েছে। নিহতের পরিবার মামলা না করলে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে বলে জানিয়েছে পিবিআই।