উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশকে আরও তিন বছর সময় দিয়েছে জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদ। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, জাতিসঙ্ঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের সময় বাড়ানোর আবেদন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। জি-৭৭ভুক্ত দেশগুলো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই আবেদনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
তিন বছর সময় বাড়ানোর ফলে বাংলাদেশী পণ্যের রফতানিতে গড়ে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের আশঙ্কা থেকে আপাতত স্বস্তি মিলবে। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের পণ্য প্রধান রফতানি বাজারগুলোতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। বর্তমানে এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশী পণ্য রফতানিকারকেরা ৩৮টি দেশ ও বাণিজ্য জোটে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাচ্ছেন।
মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ সূচক ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক—এই তিনটি মানদণ্ড পূরণ করায় চলতি বছর বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের কথা ছিল। এর আগে কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে বাংলাদেশকে উত্তরণের প্রস্তুতির জন্য দুই বছর অতিরিক্ত সময় দেয়া হয়েছিল। নিউইয়র্কে শুক্রবার অনুষ্ঠিত জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দীর্ঘ আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
জাতিসঙ্ঘের নিয়ম অনুযায়ী, এলডিসি থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনের জন্য একটি দেশকে অন্তত দুটি মানদণ্ড পূরণ করতে হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশই একমাত্র দেশ, যে তিনটি মানদণ্ডই পূরণ করেছে। বৈশ্বিক বাণিজ্যের অনিশ্চয়তা, সাম্প্রতিক অভিঘাতের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব এবং দেশের অভ্যন্তরীণ দীর্ঘদিনের দুর্বলতা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশকে ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত তিন বছরের প্রস্তুতিকাল দেয়া হয়েছে।