উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় তার জুনিয়র বন্ধু দীপকে নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে পিবিআই। নিখোঁজ হওয়ার আগে তাহসিফের সঙ্গে প্রায় ৬ ঘণ্টা সময় কাটিয়েছিলেন দীপ। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের বি ব্লকের একটি বাসা থেকে তাকে হেফাজতে নেয় পিবিআই। শুক্রবার তাকে নিয়ে টঙ্গীর তুরাগ নদসংলগ্ন মাজার বস্তি এলাকায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও বিভিন্ন তথ্য যাচাই করে পিবিআই।
শুক্রবার সকালে টঙ্গী পশ্চিম থানার মাজার বস্তি এলাকায় তুরাগ নদসংলগ্ন একটি মাঠ থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন কালো রঙের সুজুকি জিক্সার ১৫০ মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পিবিআই। মরদেহ উদ্ধারের স্থান থেকে মোটরসাইকেলটি প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে পাওয়া যায়। দীপের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এটি উদ্ধার করা হয়েছে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। তবে মোটরসাইকেলটির মালিকানা নিশ্চিত করতে কাগজপত্র, ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর যাচাইয়ের কথা জানায় পিবিআই।
পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে দীপ দাবি করেন, ঘটনার রাতে তিনি ও তাহসিফ তুরাগ নদসংলগ্ন মাজার বস্তি এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখানে কথা বলার সময় কয়েকজন তাদের ধাওয়া করেন এবং তাদের দুজনের পরনে পুলিশের ইউনিফর্ম ছিল বলে দাবি করেন তিনি। দীপের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের দেখে তাহসিফ দৌড় দেন এবং একপর্যায়ে নদীতে ঝাঁপ দেন। তবে ধাওয়াকারীরা প্রকৃতপক্ষে পুলিশ সদস্য ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত হতে পারেনি পিবিআই।
গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের বাসা থেকে বের হন সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরি। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীপের ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের একটি গ্যারেজের সামনে সিসিটিভি ফুটেজে তাহসিফের সঙ্গে দ্বীপকে দেখা যায়। ২৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তুরাগ নদে মরদেহ ভাসতে থাকার খবর পেয়ে টঙ্গী নদী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার করেন।