উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
প্রায় ২৫ বছর আগে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কুড়ালিয়া বড়বাড়ির সামনের সড়কে পা ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকা বাছিরন বেওয়াকে আশ্রয় দিয়ে এই মানবিক উদ্যোগ শুরু হয়েছিল। মাফরুজা বেগম নিজের বাড়িতেই গড়ে তোলেন এই পারিবারিক বৃদ্ধাশ্রম, যেখানে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে নিরাপদে আছেন বাছিরন বেওয়া। উদ্যোক্তা মাফরুজা বেগম মারা গেলেও তার ছেলে মাহফুজুল আলম রুমেল মায়ের সেই মানবিক উদ্যোগ ধরে রেখেছেন এবং থাকা-খাওয়া থেকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করছেন।
বর্তমানে এই আশ্রমে তিন প্রবীণ নারী বসবাস করছেন, যাদের মধ্যে প্রায় তিন বছর আগে প্রতিবেশীর সহায়তায় এখানে আসা হাওয়া বেওয়া আগামী ১৬ ডিসেম্বর তার তিন বছর পূর্ণ করবেন। এছাড়া প্রায় ১০ বছর ধরে এই আশ্রমে থাকা ৮৫ বছর বয়সি জয়তন বেওয়ার স্বামী ও একমাত্র সন্তান হারানোর পর আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসে এই তিন নারীর একমাত্র প্রত্যাশা, জীবনের শেষ দিনগুলো যেন তারা নিরাপদে, সম্মানে ও ভালোবাসায় কাটাতে পারেন।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও কোরআন তেলাওয়াত করে দিন কাটানো এই প্রবীণদের রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও তারা এখন একে অপরের আপনজন হয়ে উঠেছেন এবং আশ্রমের সেবায় নিয়োজিত পরিবারের সদস্যরাও তাদের আপন মানুষের রূপ নিয়েছেন। প্রবীণদের আবাসনের পাশাপাশি এই ব্যতিক্রমী আশ্রমটি বর্তমানে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও ধর্মীয় শিক্ষার কাজেও সফলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।