উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের খুলনা বিভাগ অভিমুখী লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কোনো নেতাকে দেখা যায়নি। আজ সোমবার সকাল আটটায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় এবং সমাবেশ শেষে সাড়ে আটটার দিকে গাড়িবহর খুলনার উদ্দেশে রওনা হয়।
এনসিপির নেতারা জানিয়েছেন, উদ্বোধনী সমাবেশে না থাকলেও পরে গাড়িবহরে যোগ দিয়েছেন দলটির চার জন প্রতিনিধি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ, যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, আবদুল হান্নান মাসউদ এবং যুগ্ম সদস্যসচিব এস এম সাইফ মুস্তাফিজকে পাঠানো হয়েছে।
১১-দলীয় ঐক্যের এই লংমার্চে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে প্রায় ৪২৫ কিলোমিটারের এই যাত্রাপথে ১৯টি জেলা অতিক্রম করার কথা রয়েছে।
এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম ও ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে লংমার্চ করেছিল ১১-দলীয় ঐক্য এবং খুলনা বিভাগের পর আগামী ২১ নভেম্বর সিলেট অভিমুখে লংমার্চ করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। পৃথক দল হিসেবে নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় ধরে রাখতে লংমার্চের এক দিন আগে শাহবাগে গণবিক্ষোভ কর্মসূচিও পালন করেছিল এনসিপি।
গোপালগঞ্জের ওপর দিয়ে লংমার্চের গাড়িবহর যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা তা নাকচ করেছেন। এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কথা হয়েছে এবং সেখানে হামলার কোনো আশঙ্কা নেই।মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর নিয়ে লুকোচুরি হচ্ছে কি না তা জাতি জানতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান।