উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
তেলাপোকার দুধ ভবিষ্যতে প্রোটিনের অন্যতম সম্ভাব্য সুপারফুড হতে পারে—এমন একটি বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্য বিরক্তি প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক শব্দের সংক্ষিপ্ত ও কড়া প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক লিখেছেন, ঘিনঘিনে।
শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে তেলাপোকার দুধের অবিশ্বাস্য পুষ্টিগুণ এবং বিকল্প খাদ্য হিসেবে এর সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। মূলত প্যাসিফিক বিটল ককরোচ নামক বিশেষ প্রজাতির স্ত্রী তেলাপোকা পেটের ভেতরে বেড়ে ওঠা ভ্রূণ বা বাচ্চাদের পুষ্টি জোগাতে এক ধরনের প্রোটিনসমৃদ্ধ তরল ক্ষরণ তৈরি করে।
বিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা গেছে, এসব প্রোটিন ক্রিস্টালে চর্বি, শর্করা ও বিপুল পরিমাণ ঘনীভূত পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা গরুর দুধের চেয়েও বহুগুণ বেশি প্রোটিন সমৃদ্ধ। গবেষকদের গর্ভবতী প্যাসিফিক বিটল ককরোচের পেট কেটে তার ভ্রূণ থেকে প্রোটিন ক্রিস্টালগুলো সাবধানে বের করে আনতে হয় যা অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ।
খাদ্য বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পুষ্টিগুণের দিক থেকে দারুণ সম্ভাবনা থাকলেও উৎপাদন খরচ কমানো এবং সাধারণ মানুষের এটি খাওয়ার মনস্তাত্ত্বিক গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করা বিশাল চ্যালেঞ্জ। ফলে তেলাপোকার দুধ মানুষের দৈনন্দিন খাবার টেবিল বা সুপারমার্কেটে আসতে এখনো বহু পথ বাকি রয়েছে।