উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
অব্যবস্থাপনা প্রকাশ পেলেও পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কেবল নোটিশ পাঠানোর মাধ্যমে সম্ভব নয়। গত ১৭ অক্টোবর কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টের প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ডের পর এই প্রশ্নগুলো আবারও সামনে এসেছে। কাঠের তৈরি এই রিসোর্টটিকে ২০২৩ সাল থেকে একাধিকবার অপসারণের চূড়ান্ত নোটিশ দিয়েছিল কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক)।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্থাপনাটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে গত ১১ জুন নোটিশ দেয়। এরপরও চার মাস রিসোর্টটি চালু ছিল, যার ফলে শেষ পর্যন্ত ১০টি তাজা প্রাণ ঝরে গেল। অথচ কক্সবাজারের হোটেল ও রিসোর্টগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা তদারকির দায়িত্বে থাকা ফায়ার সার্ভিসের ক্ষমতা শুধু সতর্ক করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
আইন অনুযায়ী নির্ধারিত শর্তে সংস্থাটির মহাপরিচালক কোনো ভবনকে ব্যবহারোপযোগী নয় বলে ঘোষণা করতে পারেন। তবে ফায়ার সার্ভিসের নিজস্ব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট না থাকায় এবং সরাসরি স্থাপনা সিলগালা করার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকায় তারা স্বাধীনভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে পারেন না।
ফায়ার সার্ভিসের তথ্যের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, কক্সবাজারের মাত্র দেড়শটির মতো প্রতিষ্ঠানের ফায়ার লাইসেন্স রয়েছে। আর সেন্টমার্টিন্স দ্বীপে আড়াই শতাধিক হোটেল, রিসোর্ট, কটেজ ও রেস্তোরাঁ থাকলেও কোনোটিরই ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র নেই।
গুরুতর ঝুঁকি শনাক্ত হলে দ্রুত স্থাপনা বন্ধ করার ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্দিষ্ট করার পাশাপাশি নিয়মিত পরিদর্শন নিশ্চিত করতে হবে। পর্যটনস্থলে পর্যটকের নিরাপদে পৌঁছানো, থাকা এবং ফিরে আসার নিশ্চয়তা দেওয়া সামগ্রিক উন্নয়নেরই একটি অপরিহার্য অংশ।