উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
প্রকাশিত হলো ২৯ অক্টোবর ২০২৬ সালের একটি বিশেষ প্রতিবেদন। আগের দিন হাইভোল্টেজ এল ক্ল্যাসিকোর ক্লান্তি ঝেড়ে লন্ডনে ল্যান্ড করেছিলেন ইয়ামাল ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। সকলের চোখ ছিল সোনালি বলের দিকে, যা শেষ পর্যন্ত ছিনিয়ে নেন হ্যারি কেইন। ইএসপিএনের দুই সাংবাদিক অ্যালেক্স কার্কল্যান্ড ও স্যাম মার্সডেনের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে তাদের না পাওয়ার পেছনের কারণ।
এমবাপ্পের ব্যালন ডি'অর জয়ের দৌড়ে এর আগে চতুর্থ, তৃতীয় এবং এই বছর দ্বিতীয় স্থান অর্জন করার ইতিহাস রয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ গত মৌসুমে লা লিগায় বার্সেলোনার পেছনে থাকায় কোনো ট্রফি জিততে পারেনি এবং এমবাপ্পেও কোনো বড় ট্রফি পাননি। তাছাড়া, বিশ্বকাপে তাঁর ফ্রান্স দল সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে পরাস্ত হয়। অসাধারণ গোলসংখ্যা থাকা সত্ত্বেও কোনো ট্রফি না জেতা তাঁর জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
ইয়ামালের অবশ্য ট্রফিশূন্যতা ছিল না, কারণ তিনি স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ এবং বার্সার হয়ে লা লিগা জিতেছিলেন। তবে বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে মাত্র একটি গোল করা এবং গোলের ঘাটতি থাকাটাই তাঁর বিরুদ্ধে গিয়েছিল। বার্সার হয়ে ৪৫ ম্যাচে ২৪ গোল ও ১৮ অ্যাসিস্টের পরও ফাইনালে সুযোগ হাতছাড়া করায় তিনি কেইন ও এমবাপ্পের পেছনে পড়ে যান। নির্দিষ্ট কিছু সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে হয়তো সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ব্যালন জিততেন তিনি।
২৭ বছর বয়সী এমবাপ্পের জন্য ব্যালন ডি'অর জিততে হলে রিয়াল মাদ্রিদের পুনরুত্থান প্রয়োজন। এই মৌসুমে লা লিগা বা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয় এবং ক্লাবের সেরা খেলোয়াড় হওয়া ২০২৭ সালে তাঁর দাবি শক্তিশালী করবে। অন্যদিকে, হ্যারি কেইনের কাছে পুরস্কারটি যাওয়ার মাধ্যমে স্প্যানিশ ফুটবলের দুই পোস্টারবয়ের গ্ল্যামার ও প্রচারণার খেই হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। ফলাফল নির্ধারণে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি দলের ট্রফি জয় এবং বড় ম্যাচে দ্যুতি ছড়ানোর গুরুত্ব আরও একবার প্রমাণিত হলো।