উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
পিরোজপুরের শংকরপাশায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফন ঘিরে ওঠা অভিযোগকে হালকা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছিলেন তিনি। গত ২৪ অক্টোবর শনিবার তাঁর মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদানে বাধা দিয়ে মরদেহ আটকে রাখা হয় এবং পরিবারের ওপর হামলা চালানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা এসব ঘটনার জন্য জামায়াত নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন। মানিক পশারীর বিরুদ্ধে জামায়াত নেতাকর্মীরা মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগ তুললেও, এর নিষ্পত্তি আদালতে হওয়ার কথা, কবরস্থানে নয়। জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার শহিদুল হক চান জানিয়েছেন মানিক পশারী একজন গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধা, এবং তাঁর পরিচয় নিয়ে বিতর্কের নিষ্পত্তি সরকারি নথির মাধ্যমেই হওয়া উচিত।
কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক অবস্থান বা আদালতে দেওয়া সাক্ষ্য নিয়ে বিরোধ থাকলেও তাঁর শান্তিপূর্ণ শেষ বিদায়ের অধিকার কেউ কেড়ে নিতে পারে না। এই ঘটনা বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা, সাক্ষীর নিরাপত্তা ও আইনের শাসনের প্রশ্ন তুলেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।