উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ই-রিকশা বিধিমালা প্রকাশের পর থেকেই এর নিয়ন্ত্রণ এবং আইনি কাঠামো নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। ২০১৫ সালে ভারতের সংসদ মোটর ভেহিক্যালস অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট পাস করে ই-রিকশাকে মূল আইনের অধীনে এনেছিল। তবে আমাদের দেশের নতুন গেজেটে মোটরের ক্ষমতার কোনো নির্দিষ্ট সীমা বা চালকের লাইসেন্স নিয়ে স্পষ্ট বিধান নেই।
২০১৪ এবং ২০২১ সালে হাইকোর্ট ঢাকা ও চট্টগ্রামে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক সরানোর নির্দেশ দিলেও তা বাস্তবে কার্যকর হয়নি। পরবর্তীতে ২০২৫ সালে সড়ক পরিবহন বিভাগ খসড়া নীতিমালা করলেও শেষ পর্যন্ত স্থানীয় সরকার বিভাগ আলাদা বিধিমালা জারি করে। ফলে যানটি কার অধীনে থাকবে তা নিয়ে স্পষ্ট জটিলতা তৈরি হয়েছে।
নতুন বিধিমালা অনুযায়ী ১৩টি সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা ই-রিকশার নিবন্ধন ও ফি নির্ধারণ করবে। অথচ যিনি সংখ্যা সীমিত করছেন তিনিই ফি তুলছেন, যা স্বার্থের সংঘাতের জন্ম দেয়। এছাড়া গঠিত ৭ সদস্যের কমিটিতে চালক বা যাত্রীসাধারণের কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি।
বিধিমালার শাস্তি সংক্রান্ত ধারায় সুনির্দিষ্ট কোনো দণ্ড বা জরিমানের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি। সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অপরাধের নির্দিষ্ট শাস্তি না থাকায় এই বিধিমালা বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।