উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে এক আবেদনকারীর ই-পাসপোর্ট আবেদনের পরপরই বিপরীতধর্মী দুটি খুদে বার্তা আসায় চরম ভোগান্তি ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মো. অপু মিয়া নামের ওই আবেদনকারী বায়োমেট্রিক ও আঙুলের ছাপ দেওয়ার পর এই ঘটনা ঘটে।
ওই দিন বিকেল ৩:০৫ মিনিটে বার্তা পাঠিয়ে আবেদনে সংশোধনের কথা বলা হলেও, মাত্র দুই ঘণ্টা পর বিকেল ৫:০৪ মিনিটে আরেকটি মেসেজে আবেদনটি বাতিল করা হয়। কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই এমন সিদ্ধান্তে আবেদনকারী হতভম্ব হয়ে পড়েন এবং সেবা প্রক্রিয়ায় কারিগরি বিভ্রাট রয়েছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
৩০ সেপ্টেম্বর সকালে অপু মিয়া পাসপোর্ট অফিসে গেলে সহকারী পরিচালক অলিউল ইসলাম জানান, পূর্বের পাসপোর্ট নম্বর A09523320 এর তথ্য গোপনের কারণে আবেদন বাতিল করা হয়েছে। তবে যাচাই করে দেখা যায় ওই পাসপোর্টের নাম হৃদয় এবং পিতা-মাতার নাম ও ঠিকানার সঙ্গে অপু মিয়ার কোনো মিল নেই।
সহকারী পরিচালক জানান, সংশোধনের এসএমএস আসার পর দুই মিনিটেই বাতিল করার অফিসিয়াল অর্ডার আছে এবং নতুন করে আবেদন করতে হবে। ব্যাংক চালানের বিষয়ে বলা হয়, পূর্বের চালান বাতিল করে নতুন চালান দিতে হবে এবং বাতিল চালানের টাকা মন্ত্রণালয়ের চিঠির মাধ্যমে ফেরতের ব্যবস্থা করা হবে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সামান্য ভুল বা অমিলের কারণে আবেদন বারবার ফেরত দেওয়া হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা ও নিয়ম স্পষ্ট না থাকায় চাকরিজীবী ও দূরবর্তী এলাকার মানুষকে বারবার অফিসে এসে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।