উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের কিশোর তানভীর হোসেনের সীতাকুণ্ডে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বন্ধু সিয়ামের সঙ্গে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পরদিন তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তানভীরের বাবা মাঈন উদ্দিনের দাবি, এই মৃত্যুর পেছনে তার বন্ধু সিয়াম ও মুন্নার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে তানভীরের সঙ্গে থাকা বন্ধু সিয়ামের বক্তব্যে ঘটনার বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়ার অভিযোগ করেছে পরিবার। এক বক্তব্যে সিয়াম জানান, ফাজিলপুর রেলস্টেশনের কাছে ছিনতাইকারীরা তাদের আটক করে টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং তানভীর মোবাইল দিতে অস্বীকার করায় তাকে মারধর করা হয়, যে সময় তিনি পালিয়ে যান। পরবর্তীতে আরেকটি বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, সীতাকুণ্ডের কাছাকাছি এলাকায় ছিনতাইকারীরা তানভীরের হাত-পা ও গলা চেপে ধরে হত্যা করেছে।
সিয়ামের এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে তানভীরের মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এবং ফাজিলপুর থেকে সীতাকুণ্ড পর্যন্ত কী ঘটেছিল তা তদন্তের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ, কললিস্ট, লোকেশন ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তানভীরের পরিবার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।