উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বৈধভাবে জমি কিনে চরম বিপাকে পড়েছেন এক পুলিশ সদস্যের পরিবার। জমির সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করার পরও তাদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
ঘটনাটিকে মিথ্যা মামলা দাবি করে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
শিবগঞ্জ উপজেলার রানীহাটি-সাবেক লাভাঙ্গা গ্রামের গিনিআরা সংবাদ সম্মেলনে জানান, তিনি সাবেক লাভাঙ্গা গ্রামের মিনহাজ উদ্দীনের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকায় ৫ শতক জমি কেনেন। গত ১০ আগস্ট শিবগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয় এবং ব্যাংকের মাধ্যমে ও নগদে পুরো টাকা পরিশোধ করা হয়।
তবে রেজিস্ট্রির কিছুদিন পর বিক্রেতা মিনহাজ উদ্দীন আদালতে মামলা করেন যেখানে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়। মামলায় পুলিশ সদস্য রাসেল আলী ও তার ভাই আসমাউল ইসলামসহ সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।
আসমাউল ইসলাম দাবি করেন, মিনহাজ নিজে সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে জমি রেজিস্ট্রি দিয়েছেন এবং তাদের কাছে সব প্রমাণ রয়েছে। এ বিষয়ে মিনহাজ উদ্দীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং ফোন কেটে দেন।