উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
গত বৃহস্পতিবার অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সেই নির্বাচনে ৩০০ সংসদীয় আসনের ২১৬টিতে জয় পায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ চারদলীয় জোট। ৪০ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়ে ১৯৩ আসন পায় বিএনপি এবং খালেদা জিয়া ১০ অক্টোবর শপথ নিয়েছিলেন। লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনা সরকার নিজের পছন্দমতো প্রশাসন সাজিয়েছিল কিন্তু লতিফুর রহমানের তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসেই ২৪ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে বদলি করে দেয়। আওয়ামী লীগের ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বড় ধরনের অসন্তোষের পাশাপাশি বিএনপির সফল জোট গঠন এবং আওয়ামী লীগবিরোধী ভোটের বিভক্তি কমানোকে ফল নির্ধারণের বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তখনকার এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছিল, আওয়ামী লীগের নাটকীয় পরাজয়ের নেপথ্যের কারণ ছিল আইনশৃঙ্খলাজনিত দুর্বলতা ও বিএনপির অধিক সফল জোট গঠন। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক রওনক জাহান ২০০১ সালে বলেছিলেন, বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের রাজনৈতিক জোট পরবর্তী সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী ফলাফলের ওপর বড় ধরনের পরিবর্তনশীল প্রভাব ফেলেছিল। নির্বাচনের পরদিন ঢাকার হোটেল শেরাটনে সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানান আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছিলেন, এবারের নির্বাচনে সূক্ষ্ম নয়, অত্যন্ত স্থূল কারচুপি করে নির্বাচনের ফলাফল বদলে দেওয়া হয়েছে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন একযোগে ষড়যন্ত্রের নীলনকশা প্রণয়ন করেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশ থেকে সন্ত্রাস ও দুর্নীতি দূর করতে আওয়ামী লীগসহ সব দলের সহযোগিতা চান এবং নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন বলে আখ্যা দেন।