উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দেশের কৃষি খাতে নিরবচ্ছিন্ন সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সার ক্রয় ও আমদানির একাধিক প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি)। বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর রাজধানীর সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সিসিজিপির ৪৭তম সভায় এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মোট ১৯টি প্রস্তাব উপস্থাপন ও আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয় ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন সার ক্রয়-সংক্রান্ত সাতটি প্রস্তাব ছিল যা কৃষি মৌসুমে কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত মজুত বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে কমিটি এক লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন দানাদার ইউরিয়া সার ক্রয়ের তিনটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ থেকে ৩০ হাজার টন ব্যাগজাত দানাদার ইউরিয়া সার ক্রয় করা হবে যাতে ব্যয় হবে ১৬২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা এবং প্রতি টনের মূল্য ৪৩৮ দশমিক ১২৫ মার্কিন ডলার। এছাড়া সৌদি আরবের সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৪০ হাজার টন বাল্ক দানাদার ইউরিয়া সার আমদানিতে ব্যয় হবে ২২৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব থেকে ৪০ হাজার টন আমদানিতে ব্যয় হবে ২৬৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের মাধ্যমে জিটুজি চুক্তির আওতায় সার আমদানির চারটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস এসএ থেকে ষষ্ঠ ও সপ্তম লটে প্রতিটিতে ৪০ হাজার টন করে টিএসপি সার আমদানিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা এবং প্রতি টনের মূল্য ৮৭৭ মার্কিন ডলার। একই প্রতিষ্ঠান থেকে অষ্টম লটে ৩০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানিতে ২৪৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা এবং নবম লটে ৪০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানিতে ৩৩০ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয় নির্ধারিত হয়েছে। কৃষি মৌসুমে কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত মজুত বজায় রাখা এবং সময়মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এসব সার ক্রয় ও আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।