উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মিরপুরের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ এবং জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের বহিষ্কারের বিষয়ে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি মনে করেন, একই যাত্রায় দুটি রাজনৈতিক দল একই বিষয়কে ভিন্নভাবে চিহ্নিত করেছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের একজন সদস্যকে পদত্যাগ করতে বলার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান তারেক রহমান এই বার্তাই দিয়েছেন যে, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তিনি পদপদবি কেড়ে নিতে কুণ্ঠাবোধ করবেন না। এটি শৃঙ্খলা ফেরানোর একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, জামায়াত তাদের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করলেও তার পদ শূন্য হয়নি। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগ না করলে বা দলের বিপক্ষে ভোট না দিলে সদস্যপদ হারান না। ফলে জামায়াত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সংসদ সদস্য হিসেবেই থেকে যাচ্ছেন।
বিপরীতে বিএনপির সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি বলেন, তারেক রহমান অপরাধীকে প্রশ্রয় দিতে চান না বলে যে কথা দেন, তা কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন। এটি কেবল দলের নেতাকর্মীদের জন্য নয়, বরং দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্যই এটি একটি বড় বার্তা।
রুহুল কুদ্দুস কাজল মন্তব্য করেন, জামায়াতের পক্ষ থেকে দায়সারাভাবে বহিষ্কারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সংসদ সদস্য থেকে গেলেন। অন্যদিকে বিএনপির সিদ্ধান্তে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ প্রতিফলিত হয়েছে এবং একজন এমপি তার পদ হারিয়েছেন। আইনকে কতটুকু ধারণ ও প্রয়োগ করা হবে, তা সম্পূর্ণ নেতৃত্বের ওপরই নির্ভর করে।