উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি ইউরেনিয়াম দেশে এসে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদি পরিচালনা ও কমিশনিংয়ের দিকে এগোচ্ছে। তবে জ্বালানি পৌঁছানো মানেই বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু নয়, বরং জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার আগে বেশ কিছু কারিগরি ও নিয়ন্ত্রক ধাপ অতিক্রম করতে হবে। সরকারি উপস্থাপনা অনুযায়ী প্রথম ইউনিটের কমিশনিং অগ্রগতি ৯৮ শতাংশ এবং প্রকল্পটিতে এখন পর্যন্ত ৯৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।
প্রকল্পটির মূল মেয়াদ ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে বাড়িয়ে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে এবং অনুমোদিত ব্যয় ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার ঠিকাদারের সাথে ১২.৬৫ বিলিয়ন ডলারের মূল চুক্তিমূল্য অপরিবর্তিত থাকলেও মূলত স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়নের কারণেই হিসাবের এই পরিবর্তন হয়েছে। পাশাপাশি, ২,৯০০ জন অনুমোদিত জনবলের বিপরীতে বর্তমানে প্রায় ১,৯২৮ জন কর্মরত রয়েছেন এবং ১,২৯০ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল প্রস্তুত রয়েছে।
বিদ্যুতের সম্ভাব্য দাম নিয়ে বিশ্লেষণে দেখা যায়, সরাসরি জেনারেশন খরচ ৪.৩১ টাকা এবং পিডিবির প্রাথমিক ট্যারিফ প্রজেকশন ৬.৭২ টাকা হলেও লাইফসাইকেল ব্যয় যুক্ত হলে প্রকৃত বাল্ক ট্যারিফ প্রতি ইউনিটে প্রায় ১০.৩ থেকে ১২.০ টাকার পরিসরে হতে পারে। ২০২৬ সালের একটি পিউরিভিউড গবেষণায় গড় লেভেলাইজড কস্ট প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টায় প্রায় ১০ টাকা ৩৪ পয়সা এবং ব্রেক-ইভেন লেভেল প্রায় ১১ টাকা ৯৪ পয়সা দেখানো হয়েছে। রাশিয়ার মূল ঋণ প্রায় ১১.৩৮ বিলিয়ন ডলার এবং সংশোধিত চুক্তি অনুযায়ী ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ঋণ পরিশোধ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।