উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুর সম্রাট দ্য সংগীতাঙ্গনে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী খালিদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। রেড ক্রিসেন্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অভিষেক ও মতবিনিময় সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান শাহীন, সেক্রেটারি মো. মিজানুর রহমান, নবনির্বাচিত কমিটির সদস্য, যুব রেড ক্রিসেন্টের নেতৃবৃন্দ, সাবেক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সাংবাদিক এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাবেক বোর্ড সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম সিকদার বলেন, দুর্যোগ, খরা, বন্যা, মহামারি, ভূমিকম্প কিংবা ভূমিধস—যেকোনো মানবিক সংকটে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সবার আগে এগিয়ে আসে। বিপদের সময় মানুষ বিশ্বাস করে, রেড ক্রিসেন্ট তাদের পাশে রয়েছে। রেড ক্রিসেন্টের ঐতিহ্য তুলে ধরে তিনি জানান যে, ১৮৬৩ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় রেড ক্রিসেন্টের পথচলা শুরু হয় এবং পরবর্তী সময়ে স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের মানবিক কার্যক্রমের পরিধি আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ব্লাড সেন্টার গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানান। এটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। যুব রেড ক্রিসেন্টের সদস্যদের উদ্দেশে অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম সিকদার বলেন, আমাদের প্রথম কাজ প্রস্তুতি, তারপর সমন্বয় এবং সবশেষে নিজেদের তৈরি করা। দুর্যোগ মোকাবিলায় যুব সদস্যদের সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় পোশাক, লাইফ জ্যাকেটসহ অন্যান্য সরঞ্জাম আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জেলার রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটকে দেশের ৬৪টি ইউনিটের মধ্যে অন্যতম একটি আদর্শ ইউনিট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।