উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
তুরস্কের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নেয়ার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও বাড়াতে চায় বাংলাদেশ। একইসাথে বিপজ্জনক শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তুরস্কের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির বিষয়েও দুই দেশ আলোচনা করেছে।
সোমবার শিল্প মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিজ সেনের সাথে বৈঠকে বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এসব কথা বলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান, তুরস্ক দূতাবাসের ইকনমিক কাউন্সিলর এবং বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ-তুরস্ক এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরুর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। আসন্ন তুরস্ক সফরে দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং বিনিয়োগ সংস্থার সাথে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এ সময় ফল আমদানিতে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে তুরস্কের ফলমূল রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য চায় বাংলাদেশ।
এছাড়া ইলেকট্রনিকস ও জাহাজ ভাঙা শিল্পের বিপজ্জনক বর্জ্য পরিশোধন ও নিরাপদ নিষ্পত্তির জন্য তুরস্কে থাকা বিশেষায়িত টিএসডিএফ প্রযুক্তির সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়। চামড়া শিল্প প্রসঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত জানান, তাদের দেশে ট্যানারি কার্যক্রম কমে সিন্থেটিক চামড়ার ব্যবহার ও কাঁচামাল আমদানি বেড়েছে। পাশাপাশি তিনি কমসেকের সম্মেলন ও ওয়ার্ল্ড হালাল এক্সপোতে বাংলাদেশকে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী অংশ নেবেন বলে জানানো হয়।