উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত, দুঃখ-বেদনা, দুশ্চিন্তা-হতাশা নির্জন রাতকে দুর্বিষহ করে তোলে। গভীর রাতে যখন সব কোলাহল থেমে যায়, তখন মনের আঙিনায় ভিড় করে বেদনাময় দিনের কথা। আর তখনই দীর্ঘশ্বাসের সঙ্গে ঘুমও যেন মিলিয়ে যায় হাওয়ার সঙ্গে। এমন যন্ত্রণাকাতর রাতে নামাজ হতে পারে মুমিনের শ্রেষ্ঠ আশ্রয়।
নামাজ মুমিনের জন্য দুর্দিনের আশ্রয় এবং আল্লাহ তাআলার বিশেষ সাহায্য লাভের মাধ্যম। মহান আল্লাহ বলেছেন, হে মুমিনরা! তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য চাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন। এছাড়া নামাজ হলো আল্লাহ ও বান্দার মধ্যে একটি সেতুবন্ধ, যা মানুষের মানসিক চাপ ও অস্থিরতা দূর করে।
গভীর রাতে যখন ঘুম পালিয়ে যায়, তখন অজু করে জায়নামাজে দাঁড়িয়ে যাওয়া উচিত কারণ আল্লাহ নামাজে মুমিনের হৃদয়ের প্রশান্তি রেখেছেন। নবীজি (সা.) বলতেন, নামাজেই আমার চোখের প্রশান্তি রাখা হয়েছে। সিজদায় বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে বেশি নিকটবর্তী হয় এবং এই অবস্থায় অধিক পরিমাণ দোয়া করার নির্দেশ রয়েছে।
নামাজ মুমিনের অন্তর থেকে সব হতাশা ও অস্থিরতা দূর করে মনকে হালকা করে দেয়। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। তবে মনে রাখতে হবে, নামাজ তখনই উপশম হয় যখন অন্তরে আল্লাহর প্রতি দৃঢ়বিশ্বাস থাকে এবং আল্লাহ সবাইকে সঠিক জ্ঞান দান করুন।