উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন রাষ্ট্রায়ত্ত বেশির ভাগ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বর্তমানে লোকসানে চলছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার শিল্প মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তিনটি করপোরেশনের আয়–ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে জানানো হয়, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের অধীন চালু থাকা নয়টি চিনিকলের মধ্যে কেরু অ্যান্ড কোম্পানি ছাড়া বাকি আটটিই গত অর্থবছরে লোকসানে ছিল।
কমিটিতে দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, গত অর্থবছরে বিএসএফআইসির ১৬টি প্রতিষ্ঠানের মোট আয় হয়েছে ১ হাজার ২২২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা এবং মোট ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৫৭৬ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এর আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই সংস্থাটির আয় ছিল ৮৯৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং ব্যয় ছিল ১ হাজার ৭৮৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা। এছাড়া বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের অধীন ১৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আটটি সার কারখানাও লোকসান দিয়েছে এবং বিসিআইসি গত অর্থবছরে মোট ৩০০ কোটি টাকা লোকসান করেছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনের অধীন ৯টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছয়টি প্রতিষ্ঠান গত অর্থবছরে লোকসানে ছিল। তবে লাভ করেছে চট্টগ্রামের প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, গাজীপুরের ঢাকা স্টিল ওয়ার্কস লিমিটেড এবং চট্টগ্রামের জিইএম কোম্পানি লিমিটেড। অন্যদিকে ন্যাশনাল টিউবস, বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরি, এটলাস বাংলাদেশ, ইস্টার্ন টিউবস, ইস্টার্ন কেব্লস ও গাজী ওয়্যারস লিমিটেড গত অর্থবছরে লোকসান গুনেছে।
বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লোকসানকৃত চিনিকলে বায়োপ্রোডাক্ট তৈরি করে লাভজনক করার উপায় নিয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। সার কারখানাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ ও উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপরও বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। কমিটির সভাপতি মো. আবুল কালামের সভাপতিত্বে বৈঠকে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।