উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
পরিস্থিতি সামাল দিতে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, কোচ হোর্হে জেসুস এবং পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পাওলো প্রোয়েনসার মধ্যে বৈঠকের আয়োজন করা হয়। কিন্তু কোচের পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং জেসুস স্পষ্ট জানান যে জাতীয় দলে নিয়ম সবার জন্য একই। কোচের এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর জাতীয় দলের অনুশীলন শুরুর আগেই কোপেনহেগেনের পার্কেন স্টেডিয়াম ছেড়ে যান রোনালদো। এর কিছুক্ষণ পর ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান যে কোচের সংবাদ সম্মেলন এবং ফেডারেশন সভাপতির সঙ্গে আলোচনার পরই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জাতীয় দলের ক্যাম্প থেকে রোনালদোর আকস্মিক বিদায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর বড় প্রভাব দেখা গেছে। রোনালদো ক্যাম্প ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার পর মাত্র এক দিনের মধ্যে পর্তুগাল জাতীয় ফুটবল দলের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পাঁচ লাখের বেশি অনুসারী হারিয়েছে। বুধবার জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়ার ঘোষণা দেন রোনালদো। এর আগে নরওয়ের বিপক্ষে উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচে তাঁকে মাঠে না নামানো নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছিল এবং এরপরই তাঁকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হচ্ছে কি না তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।
রোনালদোর ক্যাম্প ছাড়ার ঘোষণার আগে পর্তুগাল জাতীয় দলের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে অনুসারী ছিল প্রায় ২ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার। ঘোষণার পর প্রথম ১৮ ঘণ্টাতেই কমে যায় ৫ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি অনুসারী এবং বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ অ্যাকাউন্টটির অনুসারী দাঁড়ায় প্রায় ২ কোটি ৪৪ লাখে। পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল বয়কট চলছে বলে মন্তব্য করে এক সমর্থক বলেন যে তাঁরা পর্তুগালকে অনুসরণ করেননি, বরং ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে অনুসরণ করেছেন।
উয়েফা নেশনস লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে ওয়েলসের বিপক্ষে জয়ে পর্তুগালের হয়ে শুরু থেকেই খেলেছিলেন রোনালদো। কোচ হোর্হে জেসুসের ভাষ্য অনুযায়ী, নরওয়ের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচে রোনালদোকে না খেলানোর বিষয়ে আগে থেকেই সমঝোতা হয়েছিল এবং তাঁর পরিবর্তে একাদশে জায়গা পান গনসালো রামোস। তবে ম্যাচের আগে রোনালদোকে জেসুস দ্বিতীয়ার্ধে প্রায় ৩০ মিনিট খেলানোর কথা বললেও ম্যাচ চলার সময় সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন কোচ। নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে পর্তুগালের অন্য খেলোয়াড়েরা গ্যালারিতে গেলেও রোনালদো সরাসরি লকার রুমে চলে যান এবং পরদিন অনুশীলন ভেন্যুতে গেলেও অংশ না নিয়ে ফিরে যান।