উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ফেলিক্স রদ্রিগেজ কিউবান বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ও সিআইএর কর্মী হিসেবে বলিভিয়ায় ‘ফেলিক্স রামোস’ ছদ্মনামে কাজ করতেন। চে ধরা পড়ার পর তিনি উড়ে যান লা হিগেরায় এবং রেডিওতে নিশ্চিত হন বন্দী সত্যিই চে। হেলমসের মেমো বলছে, চে জিজ্ঞাসাবাদে রাজি না হলেও কিউবার অর্থনীতি, ফিদেল কাস্ত্রো এবং গেরিলা আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলাপে আপত্তি করেননি।
বলিভিয়ায় কৃষকদের সাড়া না পেয়ে হতাশ হলেও চে জানান যে তাঁর আদর্শই জিতશે এবং তিনি মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত ছিলেন। রদ্রিগেজ চেকে জীবিত রাখতে সিআইএর লাপাজের স্টেশনপ্রধানকে বার্তা পাঠালেও তা দেরিতে পৌঁছায়। এর আগেই বলিভিয়ার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা চেকে হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন এবং বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে লাপাজ থেকে হত্যার আদেশ আসে।
গুলি চালানোর দায়িত্ব পাওয়া সৈনিক মারিও তেরান জানান যে চে তাঁকে বলেছিলেন, আমাকে মারতে এসেছেন, শান্ত হোন, ঠিকমতো নিশানা করুন। হেলমসের মেমো অনুযায়ী চে তাঁর স্ত্রীকে আবার বিয়ে করতে এবং ফিদেল কাস্ত্রোকে আমেরিকা মহাদেশে বিপ্লব জেগে ওঠার কথা বলতে বলেন। গুলি চালানোর পর রদ্রিগেজ চের রোলেক্স ঘড়িটি নিয়ে নেন এবং পরে তাঁর মরদেহ ভায়েগ্রান্দের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
মৃত্যুর পর পরিচয় নিশ্চিত করতে চের দুই হাত কেটে ফেলা হয় এবং আঙুলের ছাপ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। ১৯৯৭ সালের ২৮ জুন বলিভিয়ার ভায়েগ্রান্দের একটি গণকবর থেকে চে গুয়েভারার দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত ও অনুসন্ধানের পর এই ঐতিহাসিক সত্যগুলো মার্কিন গোপন নথি এবং বিভিন্ন বিবরণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।