উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
তৈরি পোশাক খাতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে দেশের প্রতিটি জেলা থেকে সম্ভাবনাময় পণ্যের তালিকা সংগ্রহ করছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্থানীয় উদ্যোক্তা ও উৎপাদকদের আলোচনার মাধ্যমে এই তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জেলা তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ জানিয়েছেন, আগামী রোববার খাগড়াছড়ি সফরের মধ্য দিয়ে এই মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হবে। সেখানে আম, আদা, হলুদ ও আনারসসহ চার-পাঁচটি কৃষিপণ্য চিহ্নিত করা হয়েছে এবং স্থানীয় কৃষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া স্থানীয় হস্তশিল্প বা অন্যান্য পণ্য বিদেশের বাজারে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে।
বর্তমান মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ থেকে ৮২ শতাংশই আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে যা দীর্ঘমেয়াদে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই পোশাক খাতের পাশাপাশি কৃষি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হস্তশিল্প ও মৎস্য খাতকে বাণিজ্যিকভাবে সফল রপ্তানি শিল্পে রূপ দিতে চায় ইপিবি। পণ্যের ধরন অনুযায়ী হিমাগার, উন্নত সড়ক, প্যাকেজিং সুবিধা ও অর্থায়নের মতো সহায়তা দেওয়া হবে।
ইপিবি শুধু পণ্য খুঁজছে না বরং টেকসই রপ্তানি শিল্প গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক মান, সনদ এবং বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে কাজ করবে। সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা, বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে অবকাঠামোগত ও নীতিগত প্রতিবন্ধকতা দূর করা হবে। এই উদ্যোগের ফলে দেশের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য ও স্থানীয় সম্পদ নতুন রপ্তানি সম্ভাবনায় রূপান্তরিত হবে।