উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার মানবাধিকারকর্মী নাভি পিল্লাই। নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান ইয়োরগেন ওয়াটনে ফ্রিডনেস গতকাল শুক্রবার নরওয়ের অসলোতে এক সংবাদ সম্মেলনে বিজয়ী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করেন। গাজায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনা জাতিসংঘ কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আলোচিত হন ৮৫ বছর বয়সী এই ব্যক্তিত্ব।
নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি জানিয়েছে, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার মতো অপরাধ বিচারের আওতায় আনা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন পিল্লাই। পুরস্কার পাওয়ার খবর শুরুতে কৌতুক হিসেবে মনে করেছিলেন তিনি। পরে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই পুরস্কার আন্তর্জাতিক অপরাধের শিকার বেঁচে যাওয়া সব ভুক্তভোগী এবং আন্তর্জাতিক বিচার প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত সবার উদ্দেশে উৎসর্গ করেন।
নাভি পিল্লাইকে পুরস্কার দেওয়ার কঠোর সমালোচনা করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক্স পোস্টে অভিযোগ করা হয়, পিল্লাইকে পুরস্কার দিয়ে ইসরায়েলবিরোধী বিদ্বেষকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। তবে ইসরায়েলের এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে নোবেল কমিটি বলেছে, গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে কি না, সে বিষয়ে তারা কোনো পক্ষ নিচ্ছে না এবং পিল্লাইয়ের পেশাদারি ও সততার ওপর তারা আস্থা রেখেছে।
১৯৪১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে ভারতীয় তামিল বংশোদ্ভূত একটি পরিবারে জন্ম নেন নাভি পিল্লাই। তিনি প্রথম অশ্বেতাঙ্গ নারী হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকায় আইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন এবং ১৯৯৫ সালে দেশটির হাইকোর্টের বিচারক নিযুক্ত হন। এছাড়া তিনি রুয়ান্ডার গণহত্যার জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান ছিলেন এবং বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।