উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী ডিম কেনার সময় খোসায় ফাটল বা কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কি না, তা ভালোভাবে দেখে নেওয়া উচিত। নষ্ট বা অনুপযুক্তভাবে সংরক্ষিত ডিম খেলে খাদ্যে বিষক্রিয়া ও পেটের সংক্রমণের মারাত্মক ঝুঁকি থাকতে পারে। শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী নারী এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধক্ষমতার ব্যক্তিদের এ বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকা প্রয়োজন। বাজার থেকে কেনা ডিম আসল কি না, তা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকলেও শুধু বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য দেখে ডিম নকল কি না নিশ্চিত হওয়া যায় না।
ডিমের সতেজতা যাচাই করতে কানের কাছে ধরে ডিমটি আলতো করে ঝাঁকিয়ে দেখতে পারেন। তাজা ডিমে সাধারণত ভেতরে কোনো নড়াচড়ার শব্দ শোনা যায় না, তবে পুরোনো ডিমে হালকা শব্দ হতে পারে। ডিমের খোসা সাধারণত কিছুটা অমসৃণ বা দানাদার প্রকৃতির হয়ে থাকে। অস্বাভাবিকভাবে মসৃণ, চকচকে কিংবা মোমের মতো মনে হলে ডিমের গুণমান নিয়ে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। তবে শুধু খোসার গঠন বা মুরগির জাতভেদে সাদা, বাদামী ইত্যাদি রং দেখে ডিম আসল না নকল তা নির্ধারণ করা যায় না।
নষ্ট ডিমে সাধারণত অপ্রীতিকর বা তীব্র গন্ধ থাকতে পারে এবং ডিম ভাঙার পর এমন অস্বাভাবিক গন্ধ পেলে তা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। ডিম সঠিকভাবে সংরক্ষণ করাও অত্যন্ত জরুরি, যা বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে সাহায্য করে। ঘরে বসে এই সহজ পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে ডিমের গুণমান কিছুটা যাচাই করা সম্ভব হলেও শতভাগ নিশ্চিত হওয়ার জন্য পরীক্ষাগারে পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।