উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ায় (এসআইআর) অনিয়মের অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন চলাকালে দিল্লিতে মেট্রো ও ইন্টারনেট পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। রবিবার দেওয়া এই আদেশে শীর্ষ আদালত জানান, যাবতীয় বিধিনিষেধ অবশ্যই সংবিধানের ১৯(২) অনুচ্ছেদের জনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত শর্তাবলির আওতায় হতে হবে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলা এই কর্মসূচিতে প্রতিবাদের অধিকার রক্ষার আবেদনের ওপর শুনানি করেন আদালত। সুপ্রিম কোর্ট অবস্থিত ভগবান দাস মার্গে বিএনএসএসের ১৬৩ ধারার নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা আদালতকে জানান, শনিবারের বিক্ষোভে সাধারণ নাগরিক ও আইনজীবীরা পুলিশের নির্মমতা ও চরম বিধিনিষেধের শিকার হয়েছেন।
এর আগে শনিবার বেঙ্গালুরু থেকে মুম্বাই হয়ে দিল্লি পৌঁছানোর পর এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজ থেকেই সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে আটক করা হয়েছিল। রবিবার তাঁদের দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করে আগামী এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন দলের আইনবিষয়ক প্রধান রত্না সিং।
এদিকে রবিবার ফের যন্তর মন্তরের দিকে পদযাত্রার ঘোষণা দিয়েছে সিজেপি। দলটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছে, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা পিছু হটবে না। শনিবার এই আন্দোলন ঘিরে সাবেক চার মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকার এবং নেহা বোরা ও যোগেন্দ্র যাদবসহ প্রায় ৭ হাজার নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছিল।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে রবিবার সকাল ৬টা থেকে নয়াদিল্লি ও মধ্য দিল্লির অন্তত ৩০টি পয়েন্টে যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ ও পথ পরিবর্তন কার্যকর করেছে পুলিশ। পর্যাপ্ত নোটিশ না দেওয়া এবং নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে দিল্লি পুলিশ এই কর্মসূচির অনুমতি না দিলেও, সিজেপির অভিযোগ সিইসি জ্ঞানেশ কুমার নিজেই ভোটার তালিকা কারচুপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।