উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং পিটিআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতা সোহেল আফ্রিদির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। গতকাল রোববার প্রদেশটির প্রাদেশিক সরকার ভেঙে দিয়ে জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। পিটিআইয়ের অভিযোগ, লংমার্চ চলাকালীন পুলিশ সোহেল আফ্রিদিকে আটক করেছে।
ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ৪ অক্টোবর থেকে ইসলামাবাদ অভিমুখী লংমার্চ শুরু করেছে পিটিআই। তথ্যমন্ত্রী শফি জান দাবি করেছেন, লংমার্চের সময় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা সোহেল আফ্রিদিকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। তবে ডন সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও পুলিশের তরফ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
পিটিআইয়ের নেতা শহীদ খাট্টাক অভিযোগ করেছেন, সোহেল আফ্রিদির পাশাপাশি এম এন এ জুনায়েদ আকবরসহ দলের বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। মুখপাত্র শেখ ওয়াকাস আকরাম আটককৃত সবার দ্রুত ও নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তালাল চৌধুরী জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তাঁদের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি আছেন কি না, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। যাঁদের আগের অপরাধের রেকর্ড নেই এবং যাঁরা ওয়ান্টেড নন, তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।