উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ভারতের দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও নাগরিকদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়ন ও গণগ্রেপ্তার বন্ধের দাবিতে ঢাকায় সংহতি সমাবেশ ও মিছিল হয়েছে। সোমবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে ‘ভারতীয় ছাত্র-জনতার পাশে বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, প্রগতিশীল ও ছাত্রসংগঠনের নেতা–কর্মীরা এই কর্মসূচি পালন করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, জনগণ আর সরকার এক নয় এবং ভারতের জনগণের সঙ্গে আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও লড়াইয়ের বন্ধন দীর্ঘ ও দৃঢ়। দেশে দেশে চলমান বৈষম্য ও নিপীড়নবিরোধী লড়াইকে শক্তিশালী করতেই আমাদের ভারতীয় ছাত্র-জনতার প্রতি সংহতি জানাতে হবে। করপোরেট ফ্যাসিবাদ ও ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ একাকার হলে কী ভয়ংকর রূপ ধারণ করতে পারে, তার উদাহরণ বিজেপির শাসন।
সমাবেশে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা বলেন, ভারতের ছাত্র, কৃষক, আদিবাসীসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মানুষ মোদি সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই বিক্ষোভ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় ভোট কারচুপির অভিযোগে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। আমরা এ দেশের জনগণ ভারতের জনগণের ন্যায়সংগত লড়াইয়ে পূর্ণ সংহতি জানাই।
দিল্লির আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক জামশেদ আনোয়ার তপন বলেন, ভোটার তালিকায় কারচুপি করে ভোটাধিকার হরণের অভিযোগ উঠেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে। ছাত্র-যুবকেরা তাঁর পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছে এবং এই আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে ভারত সরকার পুলিশি দমন-পীড়ন ও গ্রেপ্তার অব্যাহত রেখেছে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন হারুন অর রশিদ, সীমা দত্ত, মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, লিটন নন্দী, তামজিদ হায়দার চৌধুরী, স্কাইয়া ইসলাম এবং তৈয়ব ইসলাম। সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের নওশিন মুসতারির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশ শেষে একটি মিছিল শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে।