উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরাসরি কোনো আসনে নারী প্রার্থী না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ। তিনি জানান যে নারী প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্তটি ছিল সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক এবং দলের মজলিশে শুরায় তা গৃহীত হয়েছিল। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।
ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট আয়োজিত সম্মেলনে মারদিয়া মমতাজ বলেন, মজলিশে শুরার বৈঠকে ৭০ শতাংশ নারী সদস্য জানিয়েছিলেন তাঁরা নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত নন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুরুষ সদস্যরা কারাগারে থাকায় নারীদের পরিবারের দায়িত্ব সামলাতে হয়েছিল এবং আয়ের পথ বন্ধ থাকায় তাঁরা ভরণপোষণ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নারী প্রার্থী দেওয়া প্রসঙ্গে মারদিয়া মমতাজ বলেন, তাঁর মনে হয় না তাঁরা এবার সাধারণ আসনে নারী প্রার্থী দিতে পারবেন, তবে ভবিষ্যতে তা সম্ভব হবে বলে তাঁরা আশা করছেন। তিনি আরও জানান যে জুলাই সনদ এখনো বাধ্যতামূলক নয় এবং এটি এখনো সুপারিশের পর্যায়ে রয়েছে।
এদিকে একই অধিবেশনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেত্রী উমামা ফাতেমা অভিযোগ করেন যে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে নারীরা সক্রিয় অংশ নিলেও পরে তাঁদের রাজনীতি থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ কাঠামো এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে নারীদের প্রান্তিক করে দেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। বিএনপি, জামায়াত এবং তরুণদের রাজনৈতিক দল—সবার মধ্যেই এই প্রবণতা রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।