উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ওমানের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আজ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ওমানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই কথা বলেন। বৈঠকে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং ওমান দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ বাসস.
উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের সদস্য ওমান বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার বলে উল্লেখ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। ওমানের রাষ্ট্রদূত ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বাংলাদেশের সঙ্গেও একই ধরনের চুক্তি করার প্রস্তাব দেন। বাণিজ্যমন্ত্রী প্রস্তাবটিকে স্বাগত জানিয়ে প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি ও সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ভিত্তিতে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ওমানে কর্মরত প্রায় সাত লাখ বাংলাদেশি দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে এফবিসিসিআই ও ওমান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সমন্বয়ে যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। রাষ্ট্রদূত ওমানের সোহর, দুকম ও সালালাহ বন্দর এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের সুযোগের কথা তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রদূত ওমানের ঐতিহ্যবাহী কুমা টুপি তৈরিতে বাংলাদেশের নারী কারিগরদের অবদানের প্রশংসা করেন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি তিনি শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। সিইপিএ স্বাক্ষরিত হলে দুই দেশের বাণিজ্য বাড়ার পাশাপাশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।