উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব প্রতিবছর প্রতিরক্ষা খাতে শত শত কোটি ডলার ব্যয় করে থাকে। কিন্তু ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন থেকে বিমানবন্দর, জ্বালানি শোধনাগার এবং পাইপলাইনের মতো মূল সম্পদগুলো রক্ষা করতে হিমশিম খাচ্ছে। স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা ইনস্টিটিউট বা এসআইপিআরআই-এর মতে, সৌদি আরব গত বছর প্রতিরক্ষা খাতে ৮ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় করেছে।
সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ থেকে অত্যাধুনিক অস্ত্রব্যবস্থা সংগ্রহ করে বহুমাত্রিক বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। কিন্তু দেশটির প্রতিরক্ষাব্যবস্থা করার মতো অঞ্চলও অনেক বিস্তৃত এবং তিনটি সীমান্তেই রয়েছে হুমকি। ভিশন২০৩০ ডট এআই–এর তথ্যমতে, সৌদি আরবকে রক্ষা করার অর্থ হলো একটি বিশাল লক্ষ্যবস্তুর নেটওয়ার্ক রক্ষা করা—শুধু রিয়াদ বা একক কোনো শোধনাগার নয়।
সহায়তা খুঁজতে সৌদি আরব হুতিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক একটি জোট গঠনের চেষ্টা করছে এবং আঞ্চলিক মিত্ররা সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে। রাজ্যটি রক্ষায় সহায়তা করতে পাকিস্তান হাজার হাজার সেনা পাঠিয়েছে এবং মিসরও সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিদর্শকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানের ফলে কৌশলগত অস্ত্রের ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং পুনঃসরবরাহের ক্ষেত্রে শিল্প খাতের সীমাবদ্ধতা প্রকাশ্যে এসেছে।
হুতিরা ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে দূরপাল্লার ড্রোনের সমন্বয় ঘটিয়ে সৌদি প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে পরাস্ত করার কৌশল রপ্ত করে ফেলেছে। হুতিদের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-বুখাইতি গত সোমবার দাবি করেছেন, রিয়াদ মধ্যস্থতা মেনে নিলেও তারা দুই সপ্তাহ এবং এক মাসের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। সংঘাত তীব্র হওয়া সত্ত্বেও সৌদি আরব সবকিছু স্বাভাবিক আছে এমন একটি ভাবমূর্তি বজায় রাখার চেষ্টা করেছে।