উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় শ্লীলতাহানির শিকার হওয়ার অভিযোগকারী ২৩ বছরের তরুণী বলেছেন, ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ তাঁকে কোনো সাহায্য করেনি। নিজেকে রক্ষায় বাধ্য হয়ে তিনি এক স্বজনকে ডাকেন এবং ওই ব্যক্তির গায়ে হাত তোলায় পুলিশ তাঁর স্বজনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়। বুধবার রাতে পাঠানো লিখিত বার্তায় তরুণী প্রশ্ন করেন, নিজেকে রক্ষা করার জন্য অপরাধটা কি আমাদেরই হলো?
ঘটনার দিন ধানমন্ডির সাতমসজিদ রোডে শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ নামের এক ব্যক্তি শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর তরুণীর স্বজন খালিদ হাসান তাঁকে মারধর করেন এবং পুলিশ আবদুল্লাহকে এক মাসের কারাদণ্ড দেয়। মারধরের ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ধানমন্ডি থানার সহকারী উপপরিদর্শক আবদুল হাইকে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়।
তরুণী জানান, তিনি বিবাহিত এবং গণমাধ্যমে আসতে চাননি বলে এতদিন চুপ ছিলেন। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে মামলা করতে বললেও তিনি হাসপাতালে রোগী নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তা সম্ভব হয়নি। পুলিশ কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় আত্মরক্ষার্থে আইন নিজের হাতে নিতে বাধ্য হন তাঁরা এবং বয়স্ক লোকটি থানায় যেতে চাননি বলেই তাঁর গায়ে হাত তোলা হয়।
তিনি আরও প্রশ্ন করেন, অপরাধীর শাস্তি যদি এক মাসের কারাদণ্ড হয়, তবে প্রতিবাদকারীর কেন ১৫ দিন কারাদণ্ড হবে? নারী হয়ে জন্ম নেওয়াটাই কি অপরাধ এবং অপরাধের প্রতিবাদ করা যাবে না—এমন নানা প্রশ্ন তুলে তিনি জাতি ও গণমাধ্যমের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন।